Golam Mawla Manik

Achievments

Achievments

Golam mawla manik Image
১৯৯২ সালে শ্রদ্ধাভাজন প্রধান শিক্ষক শামসুল হক সাহেবের লেখা চিঠি
Earpuur school
১৯৯২ সাল

ঐতিহাসিক সেই চিঠি: ১লা আগস্ট ১৯৯২ সালে ইয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তৎকালীন শ্রদ্ধাভাজন প্রধান শিক্ষক শামসুল হক সাহেব আমাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য আমার সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। সেই সময়ে সেনবাগের কিছু মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের প্রক্রিয়া চলছিল। প্রধান শিক্ষক মহোদয় চেয়েছিলেন ইয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ও যেন সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

দায়িত্ব ও প্রচেষ্টা: চিঠিতে তিনি আমাকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন যেন আমি ব্যক্তিগতভাবে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব জেড. এ. ফারুকী সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে বিদ্যালয়ের এই প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরি। শিক্ষকদের সেই অকৃত্রিম বিশ্বাস আমাকে সেদিন গর্বিত করেছিল এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

আমার অঙ্গীকার: আজও যখন সেই চিঠিটি দেখি, তখন মনে হয় এটি কেবল একটি কাগজ নয়, বরং আমার প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানের গভীর আস্থা ও ভালোবাসার স্মারক। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয় আমাদের এলাকার গর্ব। সেই দিনগুলোর শিক্ষা এবং শিক্ষকদের অনুপ্রেরণাকে পাথেয় করে আমি আগামীদিনেও আপনাদের সেবায় এবং শিক্ষার প্রসারে নিজেকে নিবেদিত রাখতে চাই।

— গোলাম মাওলা মানিক

১৯৯২ সালে শ্রদ্ধাবাজন শিক্ষক মনির আহমেদ এর লেখা চিঠি।
Earpur high school
১৯৯২ সাল

শিক্ষা ও সমাজসেবা আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সম্প্রতি আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে ১৯৯২ সালের দুটি ঐতিহাসিক চিঠি খুঁজে পাই, যা আমাকে ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ইয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শামসুল হক এবং সহকারী শিক্ষক মনির আহমদ সাহেব আমাকে উদ্দেশ্য করে এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন।

চিঠিগুলোতে তাঁরা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণের (Nationalization) বিষয়ে আমার একান্ত সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। সেই সময়ে সেনবাগ উপজেলার উচ্চ বিদ্যালয়গুলো সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। শিক্ষক মহোদয়গণ গভীর আস্থা নিয়ে আমাকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন যেন আমি ব্যক্তিগতভাবে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে যোগাযোগ করে বিদ্যালয়ের এই প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরি।

শিক্ষকদের সেই অকৃত্রিম বিশ্বাস ও এলাকাবাসীর ভালোবাসা আমাকে সেদিন গর্বিত করেছিল এবং জনকল্যাণে কাজ করার নতুন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয় আমাদের এলাকার গর্ব। সেই দিনগুলোর শিক্ষা এবং শিক্ষকদের দোয়াকে পাথেয় করে আমি আগামীদিনেও আপনাদের সেবায় এবং শিক্ষার প্রসারে নিজেকে নিবেদিত রাখতে চাই।

— গোলাম মাওলা মানিক

ডাকসুর সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব এর পক্ষ থেকে আমাকে লেখা চিঠি।
MAAWS
১৯৮৯ সাল

প্রিয় মানিক শুভেচ্ছা নিও।

গত ১৪-৯- ৮৯ ইং তারিখে আমরা বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছি। আসার পর থেকে একেবারে অবসর নেই।
মাসাদিকান বাইরে থাকায় দেশের ভেতরে ধর্ম ক্রমাগত পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সমিতি রেখে সম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সব মিলিয়ে তোমাকে আলাদা কারে চিঠি লেখার সময় করে উঠতে পারেনি। আশা করি কিছু মনে করবে না।

নিউইয়র্কে আমাদের দলের কাজকর্ম কেমন চলছে জানাবে। এখানকার পত্রপত্রিকার মাধ্যমে নিশ্চয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি খবরাধি পাও। জানুয়ারি মাসের দিকে উপজেলা নির্বাচন হতে পারে। আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের আগামী রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যাক কি হয়।
তুমি আমার এই সফরের ব্যাপারে যে পরিশ্রম করেছ তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। আমি খুব খুশি। আমার সফরের যতটুকু সাফল্য তার অনেকখানি তোমার প্রাপ্য।
তোমার স্ত্রীকে আমার শুভাশিস দিও। তোমার সহকর্মীদের ও অন্যান্য বাংলাদেশীদেরও আমার শুভেচ্ছা। মহসিনসহ আমরা সবাই ভালো আছি সকলের জন্য ভালোবাসা।

তোমারই আবদুর রব

 

ডাকসুর সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব এর পক্ষ থেকে আমাকে লেখা চিঠি।
১৯৮০ সাল

১৯৮০ সালের ১৭ এপ্রিল দৈনিক ‘দেশ’ পত্রিকায় ফেণী অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা নিয়ে আমার লেখা প্রকাশিত হয়। সে সময় ছাগলনাইয়া, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহভাবে বন্যায় আক্রান্ত হয়। আমার লেখায় বন্যাকবলিত মানুষের অসহনীয় দুর্ভোগ, খাদ্য ও আশ্রয়ের সংকট তুলে ধরি এবং মানবিক সহায়তায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। এই লেখা ছিল নিছক একটি প্রতিবেদন নয়; বরং মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতার একটি আবেদন।

পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালের ১৯ মে দৈনিক ‘ইত্তেফাক’ পত্রিকায় শুভেচ্ছা সফরে বিদেশ গমনের প্রাক্কালে দেশবাসীর নিকট দোয়া কামনায় আমার বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এটি আমার ব্যক্তিগত যাত্রার পাশাপাশি দেশের মানুষের সঙ্গে আমার গভীর আত্মিক ও মূল্যবোধগত সম্পর্কের প্রতিফলন বহন করে।

এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লিও ক্লাব আয়োজিত “যুবসমাজকে অপরাধ ও হাইজ্যাক হইতে উদ্ধার করিতে হইবে” শীর্ষক সেমিনারে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এম এ মতিন এবং বিশেষ অতিথি মেজর (অবঃ) মোজাম্মেল হোসেনের উপস্থিতিতে আমি যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়, অপরাধপ্রবণতা ও তা থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করি। এই সেমিনার যুবসমাজকে সচেতন, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানকে আরও জোরালো করে তোলে।

১৯৯০ সালে ঢাবা বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ বাকের স্যারের লেখা চিঠি।
Almaira from golam mawla manik
১৯৯০ সাল

তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯০ ইং

প্রিয় গোলাম মাওলা মানিক।শুভেচ্ছা রইল। গত ৪ ঠা সেপ্টেম্বর ১৯৯০ ইং তারিখে আপনার একটি পত্র আমার হস্তগত হইয়াছে।

আপনার অবগতির জন্য জানাইতেছি যে গত জুন মাসে আপনার দেওয়া দুইটি আলমারি হল লাইব্রেরীতে ব্যবহৃত হইতেছে।
অত্র প্রতিষ্ঠানের জন্য আপনার উদ্বেগ ও প্রচেষ্টার জন্য হলের সকলের পক্ষ হইতে আপনাকে ধন্যবাদ জানাইতেছি।

অধ্যাপক আঃ আঃ মোঃ বাকের।
প্রাধ্যক্ষ
কবি জসিম উদ্দিন হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই পত্রটি আমার শিক্ষাবান্ধব ও সমাজমুখী কর্মকাণ্ডের একটি প্রামাণ্য দলিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিম উদ্দিন হলের লাইব্রেরির উন্নয়নের লক্ষ্যে আমার পক্ষ থেকে প্রদানকৃত আলমারিগুলো শিক্ষার্থীদের পাঠ ও গবেষণায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে—এটি আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করা মানেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানো। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার প্রসারে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

কবি জসীম উদ্দিন হল সেকশন অফিসার মােঃ আবদুস সাত্তার এর লেখা চিঠি।
১৯৯৩ সাল

এই ১৯৭৯ সালে কবি জসীম উদ্দিন হল সেকশন অফিসার মােঃ আবদুস সাত্তার সাহেব আমাকে লেখা চিঠি হুবহু তুলে ধরলাম।

মানিক ভাই,
সালাম নিবেন। আশা করি ইনশাল্লাহ ভালো আছেন। প্রাধ্যক্ষ মহোদয়ের নিকট লেখা আপনার পত্র পেয়েছি।
আগামী ২৪- ৭- ১৯৭৯ ইং তারিখ হলের কার্যকরী সংসদ সদস্য ও ১৭-১১-১৯৮০ ইং তারিখ সহ-সভাপতি এবং ২৩-১-১৯৮২ ইং তারিখ ডাকসুর সম্পাদক, সমাজসেবা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ভাবের প্রতি সালাম ও ঈদের শুভেচ্ছা রইল। প্রত্যক্ষ মহোদয় সহ আমরা হলের সবাই ভালো। দেশে আসলে অবশ্যই দেখা করবে না আশা করি।

কবি জসীম উদ্দিন হল সেকশন অফিসার মােঃ আবদুস সাত্তার এর লেখা চিঠি।
কবি জসিম উদ্দীন হল ছাত্র সাংসদ নির্বাচন

আল্লাহু আকবর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সকল সাথী ও বন্ধুদের প্রতি আবেদন। 

মানিক-এমরান পরিষদের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী গোলাম মাওলা মানিক। 

সাথী ও বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম।আমি দীর্ঘদিন যাবত কবি জসীমউদ্দীন হলের ছাত্র সংসদে হিসাবে আমার যথাযথ দায়িত্ব পালন করে আসছি। গত বৎসর আমি এই হলের ছাত্র সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম। উল্লেখ করা যেতে পারে যে আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে এম.কম পাস করেছি এবং এই বছর ব্যবস্থাপনা বিভাগে এম.কম ১ম বর্ষে ভর্তি হয়েছি। 

এবার আমি জসীমউদ্দীন হল ছাত্র সংসদে মানিক এমরান-পরিষদে সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।আমি আশা করি যে বিশ্বাস্রষ্টা মহান আল্লাহ তা’আলার রহমতে ও আপনাদের আশীর্বাদে গতবারের ন্যায় এবারও কথিত হতে সামর্থ্য হবো।তাই এই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আপনাদের সর্বাঙ্গীন কুশল কামনা করে ও আপনাদের নিকট থেকে দোয়া চেয়ে অগ্রসর হলাম। আপনাদের সহযোগিতা কামনান্তে—

দোয়া প্রার্থী 

গোলাম মাওলা মানিক

কবি জসীম উদ্দিন হল সেকশন অফিসার মােঃ আবদুস সাত্তার এর লেখা চিঠি।
MOHAMMED ABDUL KHALEQUE
১৯৯৪ সাল

FROM: MOHAMMED ABDUL KHALEQUE CONVENER / PRESIDENT DHAKA UNIVERSITY ALUMNI ASSOCIATION, U.S.A., INC. 35-19 BROADWAY, ASTORIA, NEW YORK 11106

TO: THE 1994 ELECTION COMMISSION, DHAKA UNIVERSITY ALUMNI ASSOC. MR. SYED TIPU SULTAN, CHAIRMAN MR. GOLAM MOSTAFA MANIK, DEPUTY CHAIRMAN MR. ADVOCATE MUJIBOR RAHMAN, DEPUTY CHAIRMAN

Gentlemen,

I am extremely delighted to inform you that you have been bestowed with the responsibility to conduct the first election/voting of our Association. This major decision is the outcome of a unanimous resolution from a recent Committee meeting. The election will be held on SUNDAY, AUGUST 28, 1994.

The Committee is willing to meet the Commission soon to help with PLANNING as needed. After this sitting, activities of the organization shall come to a standstill, notwithstanding indispensable official business.

The COMMISSION is fully empowered. The results declared by the Commission shall be FINAL. I trust that the BOARD OF COMMISSIONERS shall do an excellent task with a view to bringing this election to a tremendous success. Your contribution shall never be forgotten.

Thank you very much.

Sincerely,

MOHAMMED ABDUL KHALEQUE JULY 5, 1994

Scroll to Top